বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বেশিরভাগ মানুষ এখন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপের চেয়ে মোবাইল ফোনেই বেশি সময় কাটান। এই বাস্তবতাটা Bajimate শুরু থেকেই বুঝেছে। তাই ওয়েবসাইটের পাশাপাশি একটা আলাদা মোবাইল অ্যাপ তৈরিতে প্রচুর বিনিয়োগ করা হয়েছে — এবং সেই পরিশ্রমের ফলাফল স্পষ্ট।
অ্যাপটা খুললেই প্রথম যে জিনিসটা চোখে পড়ে সেটা হলো ইন্টারফেসের সরলতা। বাংলা ভাষায় সব কিছু সাজানো, অপ্রয়োজনীয় কোনো মেনু নেই। মূল স্ক্রিনেই দেখা যায় আজকের লাইভ ম্যাচ, সবচেয়ে জনপ্রিয় ইভেন্ট এবং চলমান প্রোমোশনগুলো। নতুন ব্যবহারকারীরাও কোনো সাহায্য ছাড়াই সহজে নেভিগেট করতে পারেন।
বাংলাদেশের নেটওয়ার্কের জন্য বিশেষভাবে অপ্টিমাইজড
দেশের অনেক জায়গায় এখনো 4G সংযোগ স্থিতিশীল নয়। ঢাকার বাইরে গ্রামীণ এলাকায় বা মফস্বলে নেট স্পিড প্রায়ই ওঠানামা করে। Bajimate-এর টেকনিক্যাল টিম এই সমস্যাটা মাথায় রেখে অ্যাপের ডেটা কনসামশন কমিয়ে এনেছে। মাত্র ৩২ মেগাবাইটের অ্যাপটা 3G কানেকশনেও মোটামুটি স্মুথভাবে চলে। লাইভ স্কোর আপডেট এবং অডস রিফ্রেশ হয় কম ডেটায়।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পেমেন্ট সিস্টেম। বাংলাদেশে bKash এবং Nagad-এর মাধ্যমে লেনদেন এখন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। Bajimate অ্যাপে সরাসরি bKash বা Nagad থেকে ডিপোজিট করা যায় — ব্যাংক ট্রান্সফারের ঝামেলা নেই। উইথড্রলও সাধারণত ১৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
লাইভ স্ট্রিমিং ও স্কোরকার্ড
Bajimate অ্যাপের একটা অনন্য সুবিধা হলো লাইভ স্কোর ও ম্যাচ পরিসংখ্যান সরাসরি অ্যাপের ভেতরে দেখা যায়। আলাদা কোনো স্কোরকার্ড সাইট খুলতে হয় না। ক্রিকেট ম্যাচে বল বাই বল আপডেট, ফুটবলে মিনিট বাই মিনিট ঘটনাপ্রবাহ — সব কিছু একই স্ক্রিনে পাশাপাশি দেখা যায়।
"আগে তিনটা আলাদা অ্যাপ ব্যবহার করতাম — একটা স্কোর দেখার জন্য, একটা বেটের জন্য, একটা পেমেন্টের জন্য। Bajimate অ্যাপ আসার পর সব একজায়গায় হয়ে গেছে।"
— নিয়মিত ব্যবহারকারী, চট্টগ্রামBajimate-এর অ্যাপ নিয়মিত আপডেট হয়। প্রতি মাসে গড়ে একটা বড় আপডেট আসে যেখানে নতুন ফিচার যোগ হয়, পুরনো বাগ ঠিক হয় এবং পারফরম্যান্স উন্নত করা হয়। অ্যাপের মধ্যেই নোটিফিকেশন আসে যখন নতুন আপডেট পাওয়া যায়।